বাংলাদেশ দলের অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসন। - ছবি : সংগৃহীত
বিশ্রাম দেয়া হয়েছে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দলের সেরা পারফর্মার সাকিব আল হাসানকে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় বাঁ পায়ের ঊরুতে চোট পান সাকিব। এ কারণে অন্তত এক সপ্তাহ মাঠের বাইরে থাকতে হচ্ছে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারকে। ব্রিস্টলে গিয়ে চোটের স্ক্যান করানোর পর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে এক সপ্তাহের বিশ্রামে পাঠানো হয়েছে তাকে। সাকিবের ইনজুরি বাংলাদেশের জন্য বড় ধাক্কাই। কারণ গত তিন ম্যাচে বাংলাদেশ দলের একমাত্র ধারাবাহিক পারফর্মার সাকিবই।

বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট সূত্রে জানা গেছে, আপাতত এক সপ্তাহ বিশ্রাম দেয়া হলেও আগামী ১৭ জুন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশের পরবর্তী ম্যাচ খেলতে তাঁর কোনো বাধা নেই।

তবে ব্রিস্টলে বৃষ্টির কারণে টস হতে দেরি হওয়া বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে সাকিব খেলতে পারছেন না এটা নিশ্চিত। অবশ্য এই ম্যাচটি মাঠে গড়াবে কি না, সেটা নিয়েও সংশয় রয়েছে।

গত শনিবার কার্ডিফে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলার সময় ঊরুতে চোট পান সাকিব। এর পরই সাকিবের খেলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হয় বাংলাদেশকে। গতকাল সোমবার ব্রিস্টলের একটি হাসপাতালে চোটের জন্য স্ক্যানও করিয়েছেন সাকিব আল হাসান।

এবারের বিশ্বকাপে দারুণ উজ্জ্বল সাকিবের ব্যাট। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ৭৫ ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে ৬৪ রান করেন তিনি। আর ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচে খেলেন ১১৯ বলে ১২১ রানের চমৎকার একটি ইনিংস। বিশ্বকাপে এটি বাংলাদেশের দ্রুততম সেঞ্চুরি এবং সাকিবের প্রথম বিশ্বকাপ সেঞ্চুরি।

এদিকে চলমান বিশ্বকাপে সাকিবের ঝুলিতে জমা পড়েছে বেশ কয়েকটি রেকর্ড। গত রোববার বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচে গড়েছিলেন দারুণ রেকর্ডও, ওয়ানডেতে দ্রুত পাঁচ হাজার রান ও ২৫০ উইকেট। ১৯৯ ম্যাচে তিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন।

দুদিন বাদে গত বুধবার নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আরেকটি কীর্তি গড়েন সাকিব। ওয়ানডে ক্যারিয়ারে ২০০তম ম্যাচ খেলেন তিনি।

এর আগে বাংলাদেশের পক্ষে দুজন ২০০ বা তার চেয়ে বেশি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন। মাশরাফি বিন মুর্তজা ও মুশফিকুর রহিম। মাশরাফি ২১২ এবং মুশফিকুর রহিম ২০৮তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছেন।

এ ছাড়া তামিম ইকবাল ১৯৬ ও মাহমুদউল্লাহ ১৭৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেন বাংলাদেশ দলের হয়ে। আর সাকিব খেলেছেন ২০১ ম্যাচ।