ইভ্যালি এর কর্মকান্ড নিয়ে মানুষ বেশ বিড়ম্বনার মধ্যে রয়েছে এবং গ্রাহকরা তাদের সে বিনিয়োগকৃত অর্থ ফেরত পাবেন কিনা এখনো পর্যন্ত সেটি নিয়ে তারা সন্ধিহান তবে এরই মধ্যে মাঠে নেমেছে গ্রাহকরা এবং তারা তাদের পাওনা অর্থ ফেরত চান কিন্তু প্রতিষ্ঠান ব্যবস্থাপক এবং প্রতিষ্ঠাতা রাসেলকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তবে এতে আপত্তি জানিয়েছে গ্রাহকরা তারা চাইছেন তাকে সুযোগ দিতে

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও তার স্ত্রী প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। গতকাল শনিবার ছিল রিমান্ডের প্রথম দিন।

পুলিশের দায়িত্বশীল একটি সূত্র আজ রবিবার গণমাধ্যমকে জানায়, রিমান্ডে রাসেল দাবি করেছেন, ‌’তিনি কোনো টাকা আত্মসাৎ করেননি, প্রতারণার প্রশ্নই ওঠে না। গ্রাহক জেনেবুঝেই ইভ্যালিতে পণ্য অর্ডার করেছে। যারা ডেলিভারি পায়নি ভবিষ্যতে টাকা পেয়ে যাবে। এখানে প্রতারণার কোনো বিষয় ছিল না।’

রিমান্ডে রাসেল আরও দাবি করেন, ’ইভ্যালির প্রতিটি পণ্য বিক্রির বিজ্ঞাপনের সঙ্গে পণ্য ডেলিভারির বিষয়ে শর্ত দেওয়া ছিল। এর মধ্যে অন্যতম শর্ত ছিল ’স্টক থাকা পর্যন্ত’। অনেক সময় স্টক শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে পণ্য ডেলিভারি দিতে পারেননি। যাদের পণ্য ডেলিভারি দিতে পারেননি তাদের টাকা রিফান্ড (ফেরত) করেছেন। অনেকের রিফান্ড প্রক্রিয়াধীন।’
তিনি বলেন, ’বাংলাদেশ ব্যাংক সম্প্রতি একটি নির্দেশনা দেয়, কোনো গ্রাহক পণ্য অর্ডার করলে তাকে ওই পণ্যের ১০ শতাংশ টাকা পরিশোধ করতে হয়। বাকি ৯০ শতাংশ টাকা গ্রাহক পণ্য পাওয়ার পর প্রদান করবেন। আমরা অনেকের কাছ থেকে অর্ডার নিয়েছি, সাপ্লাইয়ারকে অর্ডারের বিষয়ে জানিয়েছি। বেশ কয়েকজন সাপ্লাইয়ার ইভ্যালিকে ফুল পেমেন্ট ছাড়া পণ্য দিতে চায়নি। তাই ডেলিভারিগুলো আটকে গেছে। এ ছাড়া বেশ কয়েকজন সেলার (সাপ্লাইয়ার) বলেছেন করোনাকালীন সময়ে অনেক পণ্যের ’উৎপাদন বন্ধ ছিল’, তাই তারা ইভ্যালিকে পণ্য দেয়নি। ফলে গ্রাহকদের সব পণ্য ডেলিভারি দেওয়া যায়নি।’

গত ১৬ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে গুলশান থানায় একটি মামলা করেন আরিফ বাকের নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক। মামলা দায়েরের পর ওইদিন বিকালেই তাদের বাসায় অভিযান চালানো হয়। এরপর তাদের র‍্যাব সদরদফতরে নিয়ে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে গুলশান থানার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হয়।

এরপর শুক্রবার বিকালে তাদের ৩ দিনের পুলিশি রিমান্ড মঞ্জুর করেন ঢাকা মহানগর হাকিম আতিকুল ইসলাম

ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রাসেল কে গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা এবং তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এরই মধ্যে জানা যাচ্ছে রিমান্ডে নানান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন তিনি তবে গ্রাহকরা চাইছেন তাকে সুযোগ দিতে যারা অর্থ বিনিয়োগ করেছে তাদের এই অর্থ যাতে করে ইভ্যালি ফেরত দিতে পারে দেখা গেছে আদালতের সামনে অনেকে বিক্ষোভ করেছে তার মুক্তির জন্য

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display