ভূমি জরিপে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্য ও দুর্নীতি এখন ব্যপক আকারে লক্ষ করা যাচ্ছে।ঘুষের ক্ষেত্র তৈরি হয় মাঠ পর্যায়ে জরিপের সময়। ঘুষের এই অবাধ লেনদেন অব্যাহত থাকায় গরিব ও মধ্যবিত্তরা সেবা নিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে। জমি মাপার কাজ শেষে বুজারত পর্চা দেওয়ার সময় চলে আরেক দফা ঘুষ লেনদেন



ভূমি নিবন্ধন সেবায় অনিয়ম ও দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ ধারণ করেছে বলে প্রকাশিত ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর প্রতিবেদন সত্য নয় বলে দাবি করেছেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তবে তিনি এও স্বীকার করেছেন মাঠ পর্যায়ের ভূমি অফিসগুলো দুর্নীতিমুক্ত করা যায়নি।


বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, ঘুষ-দুর্নীতি কমিয়ে আনতে সরকার নানা চেষ্টা চালিয়ে গেলেও তা দ্রুত সময়ে কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ভূমির সব কাজে যদি ডিজিটালাইজেসন করা যায় তাহলেই এসব দুর্নীতি কমানো সম্ভব।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের মাঠ পর্যায়ে শতকরা মাত্র ৩০ ভাগ কাজ অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে বলে জানান সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। তিনি বলেন, বাকি ৭০ ভাগ কাজ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আসলে ভূমি খাতের সব ধরনের দুর্নীতি কমানো সম্ভব হবে।

টিআইবি’র অভিযোগ ঢালাওভাবে করা উল্লেখ করে ভূমিমন্ত্রী স্বীকার করেন, তবে মানুষ এখনো নানাভাবে হয়রানির শিকার হয় এ তথ্য মিথ্যা নয়।



এর আগে, ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত রবার্ট মিলারের সঙ্গে। বৈঠকে ভূমি সংক্রান্ত কাজে অটোমেশনের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিতে আগ্রহ জানায় যুক্তরাষ্ট্র।



প্রসঙ্গত,সাইফুজ্জামান চৌধুরী ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের নির্বাহী কমিটি এবং দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় শিল্প প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান। তিনি চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস এন্ড ইন্ডাস্ট্রির তিনবারের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ছিলেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের ভূমি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বপালন করছেন