যুক্তরাজ্যের লন্ডনে ১০ দিনের সফরে চোখের চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটের দিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইট (বিজি ২০২) প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে লন্ডনে থেকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান মন্ত্রিপরিষদ সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।






এরপর প্রধানমন্ত্রী গণভবনে পৌঁছালে উপস্থিত নেতারা তাকে স্বাগত জানান এবং চোখের চিকিৎসাসহ কুশলাদি জানতে চান।







এসময় প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত নেতাদের বলেন, ’চোখ এখন ভালো হয়েছে। আগে ঝাপসা দেখতে পেতাম। ইনশাল্লাহ, এখন অনেক ভালো দেখতে পাচ্ছি।’

এছাড়াও ফণী দুর্গত এলাকার খবর জানতে চান প্রধানমন্ত্রী। এ ব্যাপারে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ফণীর আঘাতে উপকূলীয় কোনো অঞ্চল বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে সেগুলো অবহিত করেন।







ফণী নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ’ইনশাল্লাহ, তেমন কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। সরকারিভাবে সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলাম। ফণী বড় ধরনের আঘাত হানলে বিশাল ক্ষতি হতে পারতো। কিন্তু আল্লাহর রহমতে, তেমন কোনো বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি। আর টুকটাক যেসব এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে তাদেরকে দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসিত করা হবে।’







এছাড়া ঘূর্ণিঝড় ফণী মোকাবেলায় বড় ধরনের ক্ষয়-ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে সরকারি ও দলীয় প্রস্তুতিতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।







গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুক্তরাজ্য শাখা ও দলের সহযোগী সংগঠনগুলোর আয়োজনে লন্ডনের তাজ হোটেলে এক মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশের ডাক্তাররা মনস্তাত্ত্বিক কারণে ঝুঁকি নিতে রাজি না হওয়ায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও দেশে চোখের অস্ত্রোপচার করতে পারেননি।







এর আগে ১৯ এপ্রিল সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাধারণ রোগীদের মতো ১০ টাকায় টিকিট কেটে শের-ই বাংলা নগরের জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। এছাড়া ২০১৫ সালের জুন মাসে যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে ছয় দিনের ব্যক্তিগত সফরে চোখের চিকিৎসা করান প্রধানমন্ত্রী।