বাংলাদেশের প্রখ্যাত আলোকচিত্রী চঞ্চল মাহমুদ, বাংলাদেশের মডেল ফটোগ্রাফির অগ্রপথিক হিসেবে যাকে সবাই চেনেন জানেন। কিন্তু এই পরিচয়ে আবদ্ধ হতে চান না তিনি। তাই নিজেকে একজন ভার্সেটাইল ফটোগ্রাফার হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। বাংলাদেশের অনেক তারকার তারকা হয়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটির ভূমিকা অনন্য, তিনি চঞ্চল মাহমুদ


আমার প্রিয় ফেইসবুক বন্ধুরা আজকে অনেক কষ্ট নিয়ে আপনাদের লিখছি - আমার স্ত্রী রায়না মাহমুদ মিতুর শরীরে ক্যান্সার ধরা পড়েছে। চিকিৎসা শুরু হয়েছে - আর এজন্য অনেক টাকার প্রয়োজন - আর আমারও এ পর্যন্ত ৩ বার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে - আমারও চিকিৎসা চলছে। এই ১২ বছরে আমাদের সবকিছুই শেষ। আমাদের ২ জনের চিকিৎসা চালানো আর সম্ভব হচ্ছে না। অনেক টাকাই দরকার মিতুর ক্যান্সার চিকিৎসার জন্য - কয়েকদিনের মধ্যে মিতুকে টাটা মেমোরিয়াল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হবে।

তাই আমার প্রিয় বন্ধুরা - আমাদেরকে আর্থিকভাবে যারা সাহায্য করতে চান, তারা দয়া করে যোগাযোগ করবেন এই নম্বরেঃ চঞ্চল মাহমুদঃ ০১৭১১৫২২১২৬। একাউন্ট নামঃ চঞ্চল মাহমুদ ফটোগ্রাফি, ব্যাংকের নামঃ ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড, ধানমণ্ডি শাখা, ব্যাংক একাউন্ট নম্বরঃ ২০৫-১০০-৮৯৬২। এতদিন মানুষকে সাহায্য করেছি - আজকে আমি নিঃস্ব - বন্ধুরা। আমরা দুই জনই এতিম, ভাই-বোন কেউই নাই। এছাড়া আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আপার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি - এই মহা বিপদের হাত থেকে আমাদেরকে রক্ষা করুন। আমার বয়স এখন ৬৪ বছর আর মিতুর বয়স ৫০ বছর। ৪৮ বছর ফটোগ্রাফি করেছি - কত স্টার, সুপার স্টার আর মেগা স্টার তৈরী করেছি - কিন্তু রয়ে গেছি অন্তরালে - চিকিৎসা খরচ বহন করতে করতে আজকে নিঃস্ব আমি। বন্ধুরা দয়া করে সাহায্য করুন।

বন্ধুরা আমাদের জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহ মালিক। আল্লাহ সবাইকে ভালো রাখুক।



উল্লেখ্য,বাংলাদেশের অনেক তারকার প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পেছনে যে মানুষটির ভূমিকা অনন্য তিনি চঞ্চল মাহমুদ। সালমান শাহ, নোবেল, পল্লব, সুইটি, তানিয়া, শমী কায়সার, বিপাশা হায়াত, আফসানা মিমি, মৌসুমী, শাবনূর, পপির মতো আরও অনেক শিল্পী যার কাছে প্রথম ছবি তুলে নিজেকে তারকা হওয়ার পথে এগিয়ে নিয়েছেন