২০০৭ সালে প্রেসিডেন্ট হয়ে মোশারফ তৎকালীন সেনা প্রধানের পদে থেকেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছিলেন। ইমরান খান ওই নির্বাচনের বিরোধিতা করে ওই বছরের ২ অক্টোবর ৮৫ জন পার্লামেন্ট সদস্যদের সাথে পদত্যাগ করেন। সে বারের নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট হয়ে মোশারফ পাকিস্তানে জরুরি অবস্থা জারি করে। ইমরান খানকে গৃহবন্দী করা হয়। ওইসময় তিনি কিছুদিন হাজতবাসও করার পর মুক্তি পান।


ইমরান খানের প্রশংসা করে আসিফ নজরুলের ফেসবুক স্ট্যাটাস

জাতিসংঘে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বক্তব্যের প্রশংসা করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপাক ড. আসিফ নজরুল।

আসিফ নজরুল লিখেছেন, ’জাতিসংঘে ইমরানের অবিস্বরণীয় ভাষন শুনলাম। শুনে অভিভূত হলাম। কেবলমাত্র প্রখর আত্মসম্মানবোধ, নিখাদ দেশপ্রেম আর সৎসাহস থাকলেই এমন বক্তব্য দেয়া সম্ভব।

আমাদের নেতাদের মধ্যে এসবের অভাব আছে। না হলে ইমরানের মতো বুকের পাটা আমাদের নেই কেন? রোহিঙ্গা, কাটাতারের বেড়া, সীমান্তে হত্যা, পশ্চিমাদের অফ-শোর ব্যাংক, আর ইসলাম ফোবিয়ার রাজনীতি নিয়ে আমরা কেন কথা বলতে পারি না?

ইমরান তার ভাষনে শুধু মোদী, আর পশ্চিমাদের না, তথাকথিত মুসলিম নেতাদের মুখোশও উন্মোচন করেছেন। জানিনা এতো সত্য কথা বলে কতোদিন টিকে থাকতে পারবেন তিনি। কিন্তু যা বলেছেন আপাতত তা যথেষ্ট। ধন্যবাদ


উল্লেখ্য,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পূর্বে ১৯৯১ সালে আসিফ নজরুল একটি বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক পত্রিকা বিচিত্রায় কাজ করতেন। তিনি কিছু সময় বাংলাদেশ সরকারের একজন সরকারি কর্মকর্তা (ম্যাজিস্ট্রেট) হিসেবে কাজ করেছেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মিডিয়ায় তাকে প্রায়ই দেখা যায়। যেমনঃ বিবিসি, সিএনএন এবং আল জাজিরা ইত্যাদি