প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের শীর্ষ দুই নেতার কর্মকাণ্ড ও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা নানান অভিযোগে ক্ষুব্ধ হয়ে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি ভেঙে দেন এর পর তাদের গনভবনে ঢোকার পাস ও বন্ধ করে দেওয়া হয় অনেকবার প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করার চেষ্টা করলেও তাদের ফিরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।পরে আওয়ামিনীগের তিন নেতা গনভবনে যান ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর হয়ে কথা সুপারিশ করতে।কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি।



ছাত্রলীগের সভাপতি আর সাধারণ সম্পাদকের বাদ পড়াতে উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ তারা সমস্যা ছিলেন না, ছিলেন সমস্যার লক্ষণ।
গডফাদার ধরনের ছবিতে আমরা দেখি গডফাদারের কোন ক্যাডারকে মেরে  ফেলা হয় তার অবাধ্যতা, অতিরিক্ত লোভ বা হিসেবে ভুল করার জন্য। মেরে  ফেলা ক্যাডারের জায়গায় আসে নতুন ক্যাডার। পরিস্থিতি বদলায় না একটুও।
নতুন নেতৃত্ব আসার পর ছাত্রলীগের আচরণেও কোন পরিবর্তন আসবে বলে মনে হয়না। সবই চলবে, তবে একটু রেখে ডেকে হয়তো। কারণ ছাত্রলীগকে দিয়ে অপকর্ম করানো বা এসবের সুবিধাভোগীরা তো রয়েই গেছেন।
(চাঁদাবাজি আর অবাধ্যতার কারণে তাদের সরানো হয়েছে এটা অবশ্য অনেকে বিশ্বাস করবে না। হয়তো অন্য কোন গুরুতর কারণ আছে পেছনে। আমি লিখলাম শুধু পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে)


উল্লেখ্য, মোঃ নজরুল ইসলাম যিনি আসিফ নজরুল নামে সমধিক পরিচিত; জন্ম: ১২ জানুয়ারি ১৯৬৬ হচ্ছেন একজন বাংলাদেশী লেখক, ঔপন্যাসিক, রাজনীতি-বিশ্লেষক, সংবিধান বিশেষজ্ঞ, কলামিস্ট, ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। টিভি টকশো ও তার কলামে সাহসী রাজনীতি বিশ্লেষণের জন্য তিনি বিশেষভাবে খ্যাত। তিনি দশের অধিক গ্রন্থের রচয়িতা।