সোশ্যাল মিডিয়াতে আড়ং’কে বয়কট করার ক্যাম্পেইন কতটা যুক্তিযুক্ত তা নিয়ে পক্ষে বিপক্ষে অনেক তর্ক হতে পারে। ওই যুদ্ধে আমি সামিল হবো না।
আড়ংয়ের পণ্য যারা প্রস্তুত করেন গ্রামের সেই দরিদ্র মহিলারা আদৌ তাদের "ন্যায্য পারিশ্রমিক" পান কিনা এটা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। তবে উৎপাদিত দামের চেয়ে বিক্রয় মূল্য যে অনেক বেশি তাতে কোনো সন্দেহ নেই। হয়তো মালিকদের ভূমিকা সামন্তবাদী যুগের মধ্যস্বত্ব ভোগীদের মতোই।

তবে এটাও চরম সত্য যে ভারত,পাকিস্তানসহ বিদেশী পণ্যের চরম আগ্রাসনের এই যুগেও ব্যাপক দাপটের সঙ্গে দেশি আড়ং ব্যবসা করে যাচ্ছে এবং মানুষের আস্থা অর্জন করতে পেরেছে।

দাম তারতম্যের কারণে আড়ংকে শাস্তি ও জরিমানা করেছিলেন একজন ম্যাজিস্ট্রেট। সন্ধ্যায় তাকে বদলি করে দেয়া হয়েছে খুলনাতে। বিষয়টি কাকতালীয় নাকি পরিকল্পিত তা হয়তো ২/১ কার্যদিবসের মধ্যেই জানা যাবে। যতদূর জেনেছি এই কর্মকর্তা ৩/৪ দিন আগে অফিসার্স ক্লাবের ক্যান্টিনকেও ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করেছিলেন।

সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা অধিকাংশই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে দেশের বাইরে ছিলেন। আজ এসেছেন পুরো বিষয়টি জেনেছেন। অস্থির না হয়ে একটু অপেক্ষা করুন। ভালো কিছুই হবে।