এই বদলি নয়, এ কয় মাস যে তিনি এ পদে টিকে ছিলেন সেটাই বিস্ময়কর!
যারা ভাবছেন আড়ং কে জরিমানা করায়,আড়ং তার ক্ষমতা খাঁটিয়ে এই কর্মকর্তাকে বদলি করিয়েছে, তারা শিশুর মত সরল মানুষ।
কেবল আড়ং নয়, গত কয়েক মাসে তিনি অনেক বড় বড় জায়গায় হাত দিয়ে ফেলেছিলেন। সেই জায়গাগুলোর সরাসরি মালিক এবং মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা ভোগকারী সিণ্ডিকেট মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে উটকো ঝামেলা, গলার কাঁটা হিসেবে মার্ক করেছে অনেক আগেই।
বড় বড় শপিংমল, চেইনশপ, পার্লার, হসপিটালের কর্ণধারদের সিন্ডিকেট খড়গ হাতে তৈরী হয়েই ছিল। আড়ং-এ হাত দেবার সাথে সাথে সবাই মিলেই এই কোপটা বসিয়েছে।
এ দেশের মাটি, পানি, নদী, বাতাসকে বিষময় করেছে, সড়ককে মৃত্যুফাঁদে পরিণত করেছে, ওষুধ থেকে শুরু করে শিশুখাদ্যে ভেজাল নামের বিষ মিশিয়ে হাজার কোটি টাকার পাহাড় বানিয়েছে মুখ চেনা কিছু ব্যবসায়ী। যাদের শক্তির উৎস কালো টাকা। এরা কালোটাকা দিয়ে ব্যবসার নিয়ন্ত্রন নিয়েছে, রাজনীতির নিয়ন্ত্রক হয়েছে। এদের শিকড় অনেক গভীরে বসে গেছে।
একজন সরকারি কর্মকর্তার সাধ্য কি তাদের ডালপালা ধরে ঝাঁকুনি দেয়!
অসভ্য, লোভী, নীতিহীন লুটেরা পুঁজিপতিদের স্বর্গরাজ্যে একজন সাহসী, মঞ্জুর মোহাম্মদ শাহরিয়ারকে দায়িত্বপরায়ন নয়, উদ্ধত, বেয়াদব হিসেবেই তারা দেখবে, সেটাইতো স্বাভাবিক। টাকা আর ক্ষমতার সামনে এ কয় মাস যে তিনি টিকে ছিলেন সেটাই বিস্ময়কর, তার বদলিটা বিস্ময়ের নয়।