প্রবাসীরা আমাদের সম্পদ,বাংলাদের অর্থনীতিতে তাদের অবদান সব থেকে বেশী।তাদের কষ্টে উপার্যিত অর্থ দিয়েই দেশের অর্থনীতি সচল থাকে।প্রবাসে হাড় ভাঙা পরিশ্রম করে দেশের জন্য অবদান রাখছেন আমাদের রেমিটেন্স যোদ্ধা।তবে প্রবাসে গিয়ে অনেকেই অসৎ পথে উপর্জন বা অসৎ কর্মকান্ড করে দেশের সম্মান নষ্ট করে থাকেন আবার অনেকে সততার পরিচয় দিয়ে সম্মান উজ্জল করেন।

আরো পড়ুন

Error: No articles to display




প্রবাসে সততার পরিচয় দিয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করলেন শরীয়তপুরের রহমত উল্লাহ রাজীব।

রাজীব সিঙ্গাপুরে টাউন কাউন্সিলে ৯ বছর যাবত কাজ করছেন৷ কয়েকমাস আগে তিনি কাজের সাইটে কার পার্কে ১০ হাজার ডলার মানিব্যাগসহ কুড়িয়ে পান, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬ লক্ষ টাকার ওপরে৷ এতগুলো টাকা হাতে পেয়েও লোভ রাজীবকে বশিভূত করতে পারেনি।

পুলিশের সহায়তায় রাজীব সেই টাকা প্রকৃত মালিককে ফেরত দেয়ার পরে টাকার মালিক রাজীবকে জড়িয়ে কেঁদে ফেলে। তার তার চোখেমুখে আনন্দ দেখে সুখানুভূতি অনুভব করে রাজীব।

রাজীবের সততার পুরস্কার স্বরুপ টাউন কাউন্সিলের পক্ষ থেকে সততার সার্টিফিকেট তুলে দেন সিনিয়র স্টেট মিনিস্টার হেং চী হাউ (Heng chee how)।

রহমত উল্লাহ রাজীব শরীয়তপুর জেলাধীন জাজিরা থানা গফুর মোল্লার কান্দি গ্রামের আবদুল মোতালেব মোল্লার পুত্র।

এ ব্যাপারে রাজীবের সঙ্গে আলাপ করলে রাজীব বলেন, টাকা পয়সা আজ আছে কাল নেই৷ কিন্তু আমি এই যে তাদের মুখে হাসি ফুটাতে পারলাম এটাই আমার জীবনের সেরা অর্জন। আমি মানুষের জন্য কাজ করতে চাই৷ আমি অন্যের মুখে হাসি ফোটাতে চাই৷ কিন্তু কোন প্লাটফর্ম পাচ্ছি না৷

এর আগেও আমি একজনকে ৫০ গ্রাম স্বর্ণ ফিরিয়ে দিয়েছিলাম৷ তখন সে স্বর্ণের মালিক তার হারানো স্বর্ণ ফিরে পেয়ে আনন্দে কেঁদেই ফেলে। এইযে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পেরেছি এটাই আমার জীবনের সেরা পাওয়া।

রাজীবের এই সততার খবর সিঙ্গাপুরের কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। তাকে বাংলাদেশি হিরো বলে আখ্যায়িত করা হয়৷ টাকার মালিক তার সততার পুরস্কার স্বরুপ ৪শ ডলার পুরস্কৃত করে।



প্রবাসে সততার অনেক নজিরের খবর আমরা প্রায়শই পেয়ে থাকি।বিভিন্ন সময়ে বিদেশি নাগরীদের বিপদে সাহায্য অথবা তাদের হারিয়ে ফেলা অর্থ ফিরিয়ে দিয়ে সততার পরিচয় দেন।েতে যে শুধু তিনি সম্মানিত হন তা নয় পুরু দেশ তার জন্য সম্মানিত হয়।

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display