পরিবার পরিজনের মায়া ত্যগ করে তাদের অন্য বস্ত্র ভালো পরিবেশে বসবাস করা এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও পরিবারকে অর্থনৈতিক ভাবে সাবলম্বী করার আশায় বাংলাদেশীরা প্রবাসে পাড়ি জমায়।কিন্তু সেখানে তাদের কষ্ট দেখা বা বোঝার মত সত্যি কেউ থাকে না।প্রবাসীদের কষ্টে অর্জীত অর্থ যা রেমিট্যন্স হিসেবে বাংলাদেশে আসে।তাদের এই রেমিটেন্স বাংলাদেশের অর্থনিতীতে ব্যপক প্রভাব ফেলে।



কুয়েতে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মচারী শাহিনের অসৌজন্যমূলক আচরণে আমরা সত্যিই ব্যথিত। দূতাবাসের একজন কর্মচারীর কাছে এ ধরনের ব্যবহার আশা করিনি। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামীতে দূতাবাসের কোনো কর্মকর্তা প্রবাসীদের সাথে খারাপ আচরণ করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূত এস এম আবুল কালাম।

কুয়েতের মিসিলায় স্থানান্তরিত নতুন দূতাবাস ভবনে ২ সেপ্টেম্বর গরমে অতিষ্ঠ হয়ে ভবনের প্রথম তলায় মসজিদের সামনে থেকে ওই যুবককে বের হয়ে নিচে অপেক্ষা করতে বললে দু’জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে ওই যুবককে কাগজপত্র ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।

এ রকম অসৌজন্যমূলক আচরণের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে বিভিন্ন গ্রুপ পেজে শুরু হয় প্রতিবাদের ঝড়। দূতাবাসের স্টাফরা প্রায় সময় নানা ধরনের অসদাচরণের শিকার হয় বলে অভিযোগ করে প্রবাসীরা।

কুয়েত প্রবাসীরা জানান, বিভিন্ন সময় দূতাবাসের কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অফিযোগ দিলেও কোনো কাজ হয় না। প্রশাসন কোনো উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়ায় এই ধরনের ঘটনা বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটছে প্রবাসীদের সঙ্গে।

এ বিষয়ে কাউন্সিলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান জানান, সে একজন দূতাবাসে স্টাফ হয়ে প্রবাসীর সাথে এমন আচরণ করতে পারে না। আমরা তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। সম্প্রতি বাংলাদেশ দূতাবাস নতুন জাগায় স্থানান্তরিত হয়েছে। নতুন ভবনের কাজ এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি। সবার প্রতি আমার অনুরোধ বাংলাদেশের ভাবমূর্তি রক্ষা এবং বিদেশের মাটিতে দেশের বদনাম যেন না হয় এ বিষয়ে সবাইকে খেয়াল রাখার আহ্বান জানান।

দূতাবাসে সেবা নিতে আসা এক প্রবাসী বলেন, ’আমরা প্রবাসীরা অনেক কষ্ট করি। যখন কোনো কাজে দূতাবাসে আসি দেশে পতাকা দেখলে মনটা আনন্দে ভরে যায়। মনে হয় আমরা আমাদের দেশে এসেছি আমাদের নিজস্ব জাগায় এসেছি। এখানে আসার পর যখন দূতাবাসে কেউ খারাপ ব্যবহার করে তখন অনেক খারাপ লাগে।’

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রবাসী অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন সময় দূতাবাসে স্টাফদের দ্বারা অনৈতিক আচরণের শিকার হতে হয়। কেউ কেউ অভিযোগ করলেও বিচার না পেয়ে কর্মস্থলে ফিরে যান। বিষয়টি প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন প্রবাসীরা।

উল্লেখ্য,সম্প্রতি কু্যেত প্রবাসীর একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।গত ২ সেপ্টেম্বর গরমে অতিষ্ঠ হয়ে দূতাবাস ভবনের ভিতরে পানি খেতে গেলে এক যুবককে ধমকানো, তার কাগজপত্র ও মোবাইল কেড়ে নিয়ে বের করে দেওয়া হয় কুয়েত দূতাবাসের স্টাফদের আচরণে ক্ষুব্ধ প্রবাসীরা। কুয়েতের মিসিলায় স্থানান্তরিত নতুন দূতাবাসের গার্ড এর নাম শাহিন কবির।