সম্প্রতি দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের ইউএনও ওয়াহিদা খানমকে নিয়ে দেশব্যাপী ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল এর কারণ হলো সরকারি বাসভবনে ঢুকে ইউএনও ওয়াহিদের সাথে ঘটে যায় এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এবং এই ঘটনা প্রাথমিকপর্যায়ে কারা ঘটিয়েছে সেটা জানা না গেলেও পরবর্তীতে এই রহস্য উদঘাটন করা হয় এবং যুবলীগের বেশ কয়েকজন নেতা এর সাথে জড়িত এমন খবর ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে সেইসাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করার চেষ্টা করেন

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


পুরো এক মাস হাসপাতালে থাকার পর দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের সাবেক নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াহিদা খানমকে ছাড়পত্র (রিলিজ) দেওয়া হতে পারে আজ।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হসপিটালের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, তাঁর অবস্থা এখন অনেক ভালো। তিনি এখন একাই চলাফেরা করতে পারছেন, তেমন রিস্ক ফ্যাক্টর নেই।

গতকাল ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালের নিউরো ট্রমা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. জাহেদ হোসেন জানান, ওয়াহিদা খানমের ব্রেনের একটি অংশ পুরো প্যারালাইজড ছিল, সেটার এখন যথেষ্ট উন্নতি হয়েছে। ফলে তিনি এখন অন্য কারো সাপোর্ট ছাড়া একাই হাঁটতে পারছেন। হালকা একটু সমস্যা যা রয়েছে, আশা করা যায় পরবর্তী সময়ে ফিজিওথেরাপিসহ অন্যান্য চিকিৎসা নিলে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে যাবেন।

দোষিদের নিয়ে নতুন প্রশ্ন

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও তাঁর বাবার ওপর ঘটনা ফের আলোচনার ডালপালা মেলছে। গত মঙ্গলবার প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, এই ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেওয়া আসামি রবিউল জড়িত নন। এর পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে আবারও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাঁচ ধরনের তথ্যই প্রমাণ করে এই ঘটনায় রবিউলের সম্পৃক্ততা শতভাগ।

দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়েছে ঘোড়াঘাটের সেই ইউএনও ওয়াহিদা খানম এর।প্রথমদিকে চিকিৎসকরা তার চিকিৎসা করতে গিয়ে বলেছিলেন যে তিনি সুস্থ হবেন তবে সেটা অনেক সময় সাপেক্ষ ব্যাপার অন্তত কমপক্ষে ছয় মাস তো প্রয়োজন হবে তার কিছুটা শারীরিক পরিবর্তন এর ক্ষেত্রে তবে পুরোপুরি যে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন কবে নাগাদ সেটা তারা তখন জানায়নি তবে এখন ইউ এন ও শারীরিক অবস্থা অনেকটাই ভালো

News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display