গত বছরের জুন মাসে ঘটে যাওয়া আলোচিত বরগুনায় রিফাত শরীফের ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে আদালতে মামলা চলছিল সেই মামলার শুনানি চলছে তবে আজ সেই মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে এবং মামলার রায় দেওয়া হয়েছে আসামি রিফাতের স্ত্রী মিন্নি সহ আরও ছয়জনকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছে আদালত এই রায় প্রদানের পর মিন্নির বাবা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যে তারা ন্যায়বিচার পাননি

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ মামলার দশ আসামির মধ্যে ৬ জনকে ও ৪ জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন বরগুনার আদালত। এই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। পরে তাকে সাক্ষী থেকে আসামি করা হয়। এরপর রায়ে আজ তারও ঘোষণা করেছেন আদালত।

১০ আসামির মধ্যে মুসা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। মুসা ছাড়া বাকিরা রিফাত ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে.. রিফাত শরীফকে (২৫)... করা হয়। ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে হ. মামলা করেন .. রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এতে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

রিফাতের স্ত্রী হিসেবে এই মামলায় প্রধান সাক্ষী ছিলেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। পরে তাকে সাত নম্বর আসামি করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে পুলিশ। মামলার প্রধান ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী মিন্নিকে আসামি করার পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তার কিছুটা জানা গেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার মাধ্যমে।

জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মিন্নিকে রিফাত শরীফ মামলায় অভিযুক্ত করার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে প্রথমত মিন্নি তার স্বামী রিফাত ঘটনায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাছাড়া মামলায় এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী, তার ভাই তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজী, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নির সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও জানান, রিফাত নয়ন বন্ডের সঙ্গে পরিকল্পনায় ছিলেন মিন্নি। ২৬ জুন ঘটনার দুই দিন আগে রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের খুব ঘনিষ্ঠ। তাই ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য নয়ন বন্ড দ্বারস্থ হয় মিন্নির।


বরগুনার আলোচিত মামলা নিয়ে রায় প্রকাশিত হল এবং এই মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে একজন হলেন রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি।তিনি মূলত রিফাতের স্ত্রী হিসেবে ওই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন কিন্তু সাক্ষী থেকে পড়ে তিনি ৭ নম্বর আসামি বনে যান।যদিও এর পিছনে রয়েছে অনেক কারণ এবং রিফাতের সাথে মনের দ্বন্দ্ব ঘটেছিল সেটির পেছনে রয়েছে মিন্নির হাত





News Page Below Ad

আরো পড়ুন

Error: No articles to display

কেন প্রধান সাক্ষী থেকে সর্বোচ্চ শাস্তির আসামি হলেন মিন্নি, জানালেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা
Logo
Print

সারা দেশ

 

গত বছরের জুন মাসে ঘটে যাওয়া আলোচিত বরগুনায় রিফাত শরীফের ঘটনা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে আদালতে মামলা চলছিল সেই মামলার শুনানি চলছে তবে আজ সেই মামলার রায় প্রদান করা হয়েছে এবং মামলার রায় দেওয়া হয়েছে আসামি রিফাতের স্ত্রী মিন্নি সহ আরও ছয়জনকে সর্বোচ্চ শাস্তি প্রদান করেছে আদালত এই রায় প্রদানের পর মিন্নির বাবা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন যে তারা ন্যায়বিচার পাননি

আরো পড়ুন

Error: No articles to display


বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ মামলার দশ আসামির মধ্যে ৬ জনকে ও ৪ জনকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন বরগুনার আদালত। এই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। পরে তাকে সাক্ষী থেকে আসামি করা হয়। এরপর রায়ে আজ তারও ঘোষণা করেছেন আদালত।

১০ আসামির মধ্যে মুসা পলাতক রয়েছেন। রায় ঘোষণার পর মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন তিনি। মুসা ছাড়া বাকিরা রিফাত ণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন।

২০১৯ সালের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে.. রিফাত শরীফকে (২৫)... করা হয়। ঘটনার পরদিন ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরুদ্ধে হ. মামলা করেন .. রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ। ওই বছরের ১ সেপ্টেম্বর প্রাপ্তবয়স্ক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুভাগে বিভক্ত করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দেয় পুলিশ। এতে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ জন এবং অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।

রিফাতের স্ত্রী হিসেবে এই মামলায় প্রধান সাক্ষী ছিলেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি। পরে তাকে সাত নম্বর আসামি করে ২৪ জনের বিরুদ্ধে বরগুনার জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করে পুলিশ। মামলার প্রধান ও প্রত্যক্ষ সাক্ষী মিন্নিকে আসামি করার পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তার কিছুটা জানা গেছে পুলিশের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তার মাধ্যমে।

জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, মিন্নিকে রিফাত শরীফ মামলায় অভিযুক্ত করার পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। যার মধ্যে প্রথমত মিন্নি তার স্বামী রিফাত ঘটনায় সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। তাছাড়া মামলায় এজাহারভুক্ত দুই নম্বর আসামি রিফাত ফরাজী, তার ভাই তিন নম্বর আসামি রিশান ফরাজী, ছয় নম্বর আসামি রাব্বি আকন এবং ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে মিন্নির সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।

তিনি আরও জানান, রিফাত নয়ন বন্ডের সঙ্গে পরিকল্পনায় ছিলেন মিন্নি। ২৬ জুন ঘটনার দুই দিন আগে রিফাত শরীফ হেলাল নামে তার এক বন্ধুর মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেন। হেলাল রিফাত শরীফের বন্ধু হলেও নয়ন বন্ডের খুব ঘনিষ্ঠ। তাই ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল ফোন উদ্ধারের জন্য নয়ন বন্ড দ্বারস্থ হয় মিন্নির।


বরগুনার আলোচিত মামলা নিয়ে রায় প্রকাশিত হল এবং এই মামলার প্রধান আসামিদের মধ্যে একজন হলেন রিফাত শরীফের স্ত্রী মিন্নি।তিনি মূলত রিফাতের স্ত্রী হিসেবে ওই মামলার প্রধান সাক্ষী ছিলেন কিন্তু সাক্ষী থেকে পড়ে তিনি ৭ নম্বর আসামি বনে যান।যদিও এর পিছনে রয়েছে অনেক কারণ এবং রিফাতের সাথে মনের দ্বন্দ্ব ঘটেছিল সেটির পেছনে রয়েছে মিন্নির হাত





Template Design © Joomla Templates | GavickPro. All rights reserved.