সাম্রতিক সময়ে সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ও পণ্যদ্রব্য কেনার ক্ষেত্রে অনিয়ম বেড়েই চলেছে। এ যেন লুটপাটের মাহুৎসব। প্রকল্পের নামে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বালিশকাণ্ডের পর আলোচনা-সমালোচনার শীর্ষে অবস্থান করে পর্দা।যেখানে এক পর্দার দাম লাখ লাখ টাকা।


বালিশ, পর্দার পর এবার যুক্ত হলো টিন। একটি টিন কিনতে খরচ হয়েছে এক লাখ টাকা। এই দাম বর্তমান বাজার মূল্যের তুলনায় ১০০ গুণেরও বেশি। বিশ্বে হয়তো এই টিনই সবচেয়ে বেশি দামে কেনা হয়েছে। খাগড়াছড়ির ৬-আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন)’র ঘর মেরামতের কাজে এই টিন কেনা হয়।

ওই মেরামতকাজে মাত্র দুই বান টিনের দাম দেখানো হয়েছে ১৪ লাখ টাকা। দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড’র এক প্রতিবেদনে এমন খবর প্রকাশ করা হয়।

মেরামত কাজ শুরু করার মাত্র ২০ দিনের মধ্যেই বাজেটের ৭১ লাখ টাকা তুলে নেয়া হয়। অথচ মেরামত কমিটির সদস্য সচিবের দেয়া ’নোট অব ডিসেন্ট’ থেকে জানা যায়, চার মাসে মাত্র ১৫ ভাগ কাজ হয়েছে। প্রতিবেদনে প্রকল্পের কাজে আরো বেশকিছু অনিয়মের তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

এসব সংস্কারসহ অন্য দুটি কাজের দায়িত্বে ছিল মেসার্স তাপস এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মিশু এন্টারপ্রাইজ। মিশু এন্টারপ্রাইজের কর্ণধার মোহাম্মদ জসিম। অন্যদিকে তাপস এন্টারপ্রাইজ নামের প্রতিষ্ঠানটিও চলে তার কর্তৃত্বেই।

প্রকল্পের কাজে এসব অনিয়মের বিষয়ে জানতে গণমাধ্যমটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হলে জসিম বলেন, ’আমাকে যেভাবে কাজ করতে বলেছেন, আমি সেভাবেই করেছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

উল্লেখ্য,আইসিইউর রোগীকে আড়াল করে রাখার পর্দার দাম ৩৭ লাখ টাকা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে এমন নজিরবিহীন দুর্নীতি ঘটেছে প্রায় ৪১ কোটি টাকার। ২০১২ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত এই দুর্নীতির তদন্ত করতে দুদককে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। যদিও এখনো আদেশনামা পায়নি দুদক।