পেশাগত পরিচয় দিয়ে, সাদাপোশাকে কিন্তু সশস্ত্র অবস্থায় ছিনতাই, অপহরণ ইত্যাদি অপরাধে লিপ্ত হয়েছেন, এমন ঘটনার দৃষ্টান্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর সদস্যদের মধ্যে একাধিক আছে। এ রকম ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে না বটে, কিন্তু ঘটা যে অসম্ভব নয়, তা এ দেশে এখন সবাই জানে। এইসব ঘটনায় যেমন গ্রহনযোগ্যতা হারাচ্ছে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, আবার ভুয়া পুলিশের দ্বৈরাত্মে নাজেহাল সাধারন মানুষ।
মাগুরার সদর উপজেলার বেঙ্গা বেরইল গ্রাম থেকে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ভুয়া উপ-পরিদর্শককে (এসআই) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সে জয়পুরহাটের দোগাছি গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।
পুলিশ জানায়, মাগুরার বেঙ্গাবেরইল গ্রামের ফরিদ হোসেন পুলিশের কনস্টেবল হিসেবে চুয়াডাঙ্গা জেলায় কর্মরত। তার সঙ্গে ফেসবুকে পরিচয় হয় জয়পুরহাটের দেলোয়ার হোসেনের। ফেসবুকে দেলোয়ার নিজেকে পুলিশের এসআই বলে পরিচয় দিয়েছিল, সেই সূত্রেই উভয়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা হয়।
চারদিন আগে দেলোয়ার মাগুরায় কনস্টেবল ফরিদের নানা বাড়িতে বেড়াতে এসে ভুয়া আইজিপি কার্ড দেখিয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষের মাঝে নিজেকে পুলিশের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয়। একইসঙ্গে স্থানীয় বেকার যুবকদের পুলিশে চাকরি দেওয়ার কথা বলে প্রলুব্ধ করে। বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ দেখা দিলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে বুধবার মাগুরার রাঘবদাইড় ফাঁড়ি পুলিশ ওই গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করে।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ’দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে। তার বিরুদ্ধে অন্য থানায় প্রতারণা কিংবা অন্য কোনো বিষয়ে মামলা আছে কিনা সেসব বিষয়েও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’